দিনাজপুর রাজবাড়িরাজবাড়ি প্রধানত তিনটি মহল বা ব্লকের সমন্বয়ে গঠিত, যথাক্রমেঃ
আয়না মহল, রাণি মহল ও ঠাকুরবাটি মহল। এর পাশাপাশি আরো
কিছু অপ্রধান কিছু স্থাপনা আছে। যা জমিদার পরিবারের বিভিন্ন রাজা
ও উত্তরাধিকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠিত। এই রাজবাড়ির সীমা-
নায় আরো কিছু মন্দির, বিশ্রামাগার, দাতব্য চিকিৎসালয়, পানির
ট্যাঙ্ক ও আমলাদের বাসস্থান স্থাপিত হয়। দিনাজপুর রাজবাড়ির ভূমির
মোট আয়তন ১৬.৪১ একর যার মধ্যে পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ২ বৃহৎ
পানির চৌবাচ্চা/ট্যাঙ্ক, মঠ, বাগান, কাঁচারী ঘর, টেনিস কোর্ট ও
কুমারের বাড়ি অন্তর্ভুক্ত।

এই বিশাল রাজবাড়িটি একটি আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক ঐতিহ্য। এই
রাজবাড়িটি বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক কর্তৃক
স্বীকৃত নয়। তাই এই বিশাল স্থাপনাটি অযত্নে অবহেলায় ধ্বংস হয়ে
যাচ্ছে। জনগণ সাধারণত এই স্থানে আবর্জনা ফেলায় এর বিদ্যামান
অংশও ধ্বংসপ্রায়।
দিনাজপুর রাজবাড়ি বাংলাদেশের রংপুর বিভাগে র দিনাজপুর জেলার সদর উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। রাজারামপুর
গ্রামের সন্নিকটে এই স্থানটি “রাজ বাটিকা “ নামে বিশেষভাবে পরিচিত।ইতিহাস দিনাজপুর রাজবাড়ি রাজা দিনাজ
স্থাপন করেন। কিন্তু অনেকের মতামত পঞ্চদশ শতকের প্রথমার্ধে ইলিয়াস শাহীর শাসনামলে সুপরিচিত “রাজা
গণেশ” এই বাড়ির স্থপতি। সপ্তদশ শতাব্দীর শেষের দিকে শ্রীমন্ত দত্ত চৌধুরী দিনাজপুরের জমিদার হন। কিন্তু শ্রীমন্ত
দত্ত চৌধুরীর ছেলের অকাল মৃত্যুর হওয়াতে, তার ভাগ্নে “সুখদেব ঘোষ” তার সম্পত্তির উত্তরাধিকার হন।

গঠনশৈলী

আসলে বর্তমানে দিনাজপুর রাজবাড়ি বলতে এর অবশিষ্টাংশকে
বুঝায়। এর বেশিরভাগ অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। শুধু গুটিকয়েক
স্থাপনা এখন বিদ্যমান। রাজবাড়ির প্রবেশ পথে পশ্চিমমুখী
একটি মিনার আকৃতির বিশাল তৌরণ আছে। রাজবাড়ির
সীমানার মধ্যে তৌরণের কিছু দূরে বামদিকে একটি উজ্জ্বল রঙ
করা কৃষ্ণ মন্দির এবং ডানদিকে রাজবাড়ির বহিঃমহলের কিছু
ধ্বংসাবশেষ আছে। রাজবাড়ির সীমানার ভেতরে আরকটি
তৌরণ আছে, যার মাধ্যমে রাজবাড়ির প্রধান বর্গাকার অংশে
প্রবেশ করা হয়। রাজবাড়ির প্রধান অংশের পূর্বদিকে আরেকটি
সমতল ছাদবিশিষ্ট মন্দির আছে। যার মধ্যে অনেক হিন্দু
প্রতিমা বিদ্যমান।তথ্য সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

Share

প্রতিভা খজার লক্ষে আজ পথে পথে....

Leave a Reply

Your email address will not be published.